বহরমপুর কোর্ট থেকে মুর্শিদাবাদ, আজিমগঞ্জ, সাগরদিঘী, মোরগ্রাম, নলহাটি, রামপুরহাট, সিউড়ি হয়ে অন্ডাল, দুর্গাপুর ও আসানসোল—এই দীর্ঘ রেলপথে একটি সরাসরি মেমু ট্রেন চালুর দাবি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এই রুটে প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন বহু মানুষ। অফিস, ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে একাধিক স্টেশনের মধ্যে যাতায়াত করতে হয় তাঁদের। ফলে একটি সরাসরি মেমু ট্রেন চালু হলে এই রুটের যাত্রীদের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
কোন কোন স্টেশনের মধ্যে মেমু ট্রেনের দাবি?
যাত্রীদের প্রস্তাবিত রুটটি হতে পারে—
বহরমপুর কোর্ট → মুর্শিদাবাদ জংশন → আজিমগঞ্জ জংশন → সাগরদিঘী → মোরগ্রাম → নলহাটি জংশন → রামপুরহাট জংশন → সিউড়ি → অন্ডাল জংশন → দুর্গাপুর → আসানসোল জংশন।
এই রুটের বিভিন্ন অংশে বর্তমানে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা রয়েছে। তবে পুরো রুটে একটি সরাসরি মেমু ট্রেন চালু হলে এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে যাতায়াতের ক্ষেত্রে যাত্রীদের সুবিধা বাড়তে পারে।
কেন প্রয়োজন সরাসরি মেমু ট্রেন?
বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, আজিমগঞ্জ, রামপুরহাট, সিউড়ি, অন্ডাল, দুর্গাপুর এবং আসানসোল—এই অঞ্চলগুলির মধ্যে শিক্ষা, ব্যবসা, চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের কারণে মানুষের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে।
বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছতে ট্রেন পরিবর্তন করতে হয়। সরাসরি একটি মেমু পরিষেবা চালু হলে সেই অতিরিক্ত ঝামেলা কমতে পারে।
বিশেষ করে প্রতিদিনের যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে চলা একটি মেমু ট্রেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কম দূরত্বের পাশাপাশি দীর্ঘ রুটের বিভিন্ন স্টেশনকে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রেও এই ধরনের পরিষেবা কার্যকর হতে পারে।
বীরভূমের যাত্রীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ
এই প্রস্তাবিত রুটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল রামপুরহাট ও সিউড়ি। বীরভূম জেলার এই দুই গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন থেকে প্রতিদিন বহু মানুষ বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করেন।
সিউড়ি থেকে অন্ডাল, দুর্গাপুর ও আসানসোলের দিকে সরাসরি যোগাযোগ থাকলে কর্মজীবী মানুষ, ছাত্রছাত্রী এবং ব্যবসায়ীদের সুবিধা হতে পারে। একইভাবে রামপুরহাট ও নলহাটি এলাকার যাত্রীরাও এই পরিষেবা থেকে উপকৃত হতে পারেন।
এখনই কি ট্রেন চালুর ঘোষণা হয়েছে?
না। বহরমপুর কোর্ট থেকে আসানসোল পর্যন্ত সরাসরি মেমু ট্রেন চালুর বিষয়টি বর্তমানে যাত্রীদের দাবি বা প্রস্তাব হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। এই নির্দিষ্ট রুটে নতুন মেমু ট্রেন চালুর কোনও সরকারি ঘোষণা এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা হচ্ছে না।
নতুন ট্রেন চালু করার ক্ষেত্রে রেলের পক্ষ থেকে রুটের সক্ষমতা, সময়সূচি, ট্রেনের রেকের availability, পরিচালনাগত বিষয় এবং যাত্রী চাহিদা—একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হয়।
যাত্রীদের মতামত জানতে চায় My Birbhum
এই রুটে একটি সরাসরি মেমু ট্রেন চালু হলে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমানের বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ হতে পারে বলে মনে করছেন যাত্রীরা।
তাই প্রশ্ন উঠছে—
বহরমপুর কোর্ট থেকে আসানসোল পর্যন্ত একটি সরাসরি মেমু ট্রেন চালু হওয়া উচিত কি?
আপনি এই রুটে কোন স্টেশন থেকে কোন স্টেশনে যাতায়াত করেন? আপনার মতে ট্রেনটির সময়সূচি কেমন হওয়া উচিত?
আপনার মতামত কমেন্টে জানান।
